Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

Saturday, 8 August 2015

সালমান খানের আত্মীয় হচ্ছেন গৌতম গম্ভীর!


আত্মীয়তা বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন বলিউড তারকা সালমান খান ও ভারতের জাতীয় দলের ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর।

সালমান খানের বোন অর্পিতার স্বামী আয়ুশ শর্মার ভাই আশ্রয় শর্মা গাঁটছাড়া বাঁধছেন গৌতমের তুতোবোন রাধিকা গম্ভীরের সঙ্গে। এ সূত্রেই ভারতের খ্যাতিমান দুই তারকার মধ্যে তৈরি হচ্ছে আত্মীয়তাসূত্র।

আয়ুশ-অর্পিতার বিয়েতে নেচে, গেয়ে, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে অনেকের কাছেই পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন আশ্রয়। রাধিকা পরিচিত তার ফ্যাশন ও গ্ল্যামারের কারণে। ফ্যাশন বিষয়ক ব্লগ লিখে এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছেন তিনি। আয়ুশ-রাধিকা প্রেম করছেন দীর্ঘদিন। ইনস্টাগ্রামে নিজেদের ছবি পোস্ট করে সেই প্রণয়কাহিনীর জানানও দিয়েছেন তারা। প্রেমের পাঠ শেষে এবার বিয়ের পালা। আয়োজন চূড়ান্ত হয়েছে এরই মধ্যে। এখন অপেক্ষা কেবল আনুষ্ঠানিকতার।

সেই আনুষ্ঠানিকতা নিয়েই সবার আগ্রহ এখন তুঙ্গে। গৌতম গম্ভীর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল) বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের মালিকানাধীন 'কলকাতা নাইট রাইডার্সে'র অধিনায়ক। সে সূত্রে নিশ্চয়ই গম্ভীর আয়ুশ-রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাবেন কিং খানকে। ওদিকে ভগ্নিপতির ভাইয়ের বিয়েতে অবধারিতভাবে আমন্ত্রিত হবেন সালমান খানও। ওই অনুষ্ঠানে দুই খানকে আবারো একত্রে দেখার প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছেন সবাই।

সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাস!

সিউলে সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাসে একটা ছোট্ট অক্টোপাসের দিকে তাকিয়ে আছেন লি জিন-সু (বাম থেকে দ্বিতীয়)। ছবি: রয়টার্সঘরের কাজে অংশগ্রহণে দক্ষিণ কোরিয়ার পুরুষেরা খুবই পিছিয়ে। ঘরের কাজে নাকি দিনে মাত্র ২১ মিনিটের মতো সময় দেন দেশটির পুরুষেরা। বিশেষত রান্নাবান্নায় তারা একেবারে হাতই লাগাতে চান না। তবে, এ মনোভাব পাল্টাচ্ছে। অনেক পুরুষই এখন রান্না শেখার ক্লাসে যাচ্ছেন। রাজধানী সিউলে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাস’।

ঘরের কাজে অংশগ্রহণে পুরুষদের অনীহার নেপথ্যে হয়তো সামাজিক মনোভাবই বড় কারণ। ২০১৪ সালে অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ওইসিডি) জরিপে দক্ষিণ কোরিয়ার পুরুষদের অবস্থান ছিল একেবারেই তলার দিকে। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির জরিপে দেখা গেছে, গড়ে দিনে মাত্র ২১ মিনিট সময় ঘরের কাজে ব্যয় করেন সেখানকার পুরুষেরা।

কিন্তু, এখন দিন পাল্টাচ্ছে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৫৩ বছর বয়সী লি জিন-সু জানিয়েছেন, নিজে যে একজন কর্তৃত্ববাদী পিতা এবং আধিপত্য ফলানো স্বামী তা উপলব্ধি করেছেন তিনি। তাই নিজেকে শোধরানোর চেষ্টাও শুরু করেছেন লি। আজকাল তাঁর মনে হয়, ‘একটি সুখী পরিবারের জন্য কর্তৃত্বের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন আছে রান্নাবান্নার।’
সিউলে সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাসে রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ৫৩ বছর বয়সী লি জিন-সু। ছবি: রয়টার্স
লি বলেন, ‘আমি নিজেকে বদলাতে চাচ্ছিলাম। রান্নার ক্লাসে যাওয়া শুরু করা এটা সহজ করে দিয়েছে।’
লি এখন প্রতি সপ্তাহেই কাজের শেষে সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাসে যান। মাথায় সাদা টুপি আর সাদা অ্যাপ্রোন পরে মাঝ বয়সী অন্যান্য পুরুষদের সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে শেখেন রান্নাবান্না। এই তো কদিন আগেই বাড়িতে নিজের স্ত্রী ও স্ত্রীর বন্ধুদের চাইনিজ কোল্ড ভেজিটেবল রেঁধে খাইয়েছেন লি। স্মার্টফোন থেকে খাবার পরিবেশনের সেই ছবিও বের করে দেখালেন তিনি।

জনসংখ্যার বিন্যাস আর হালের জন-সংস্কৃতিও দক্ষিণ কোরিয়ার পুরুষদের এ মনোভাব পরিবর্তনে সাহায্য করছে। দিন দিন অনেক বেশি সংখ্যায় নারীরা নানা পেশায় সাফল্য পাচ্ছেন। আর নানা শিল্পে নারীদের চাহিদাও অনেক বেড়ে গেছে। ফলে ঘরে থাকা নারীর সংখ্যাও কমে গেছে। তাই পুরুষদেরও আর রান্না না করে থাকার উপায় থাকছে না।

টেলিভিশনের রিয়েলিটি শোতেও এখন পুরুষদের রান্নার অনুষ্ঠান প্রচার হচ্ছে। অন্য অনেক দেশের মতোই দক্ষিণ কোরিয়াতেও তারকা খ্যাতি পাওয়া পাচকদের অনেকেই পুরুষ। আর এই পাচকেরাও অনেক পুরুষকে রান্নাবান্নায় উৎসাহিত করছেন। অনলাইন কেনাকাটার সাইট জি-মার্কেট জানিয়েছে, রান্নাঘরের তৈজসপত্রের ক্রেতা হিসেবে পুরুষের সংখ্যা সম্প্রতি প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়ে গেছে।
সিউলে সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাসে রান্না করা খাবারের ছবি তুলছেন এক প্রশিক্ষণার্থী। ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ কোরিয়ার সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা কতটা প্রবল তা বোঝা যায় দেশটির প্রবাদ প্রবচনেও। এক সময় ঘরের কাজে বা রান্নাবান্নায় হাত লাগালে যেন পুরুষত্ব নিয়েই প্রশ্ন উঠত! এমনই এক প্রবাদ আছে যেখানে বলা হয়েছে— ‘হেঁশেলে যাবে যে অপগণ্ড, সেই হারাবে তার অণ্ড।’ তবে, দিন পাল্টানোর প্রমাণ দিয়ে জনপ্রিয় পাচক হ্যান হি-ওন বলছেন ভিন্ন কথা। রাজধানী সিউলে ২০১২ সাল থেকে কেতাদুরস্ত ‘হ্যাপি গাইস কুকিং ক্লাস’ বা সুখী পুরুষের রান্নার ক্লাস’ পরিচালনাকারী এই পাচক জানান, ‘আজকাল তরুণেরা বলছে: রান্না না করতে পারলে তুমি বিয়েই করতে পারবে না।’

Friday, 7 August 2015

আয় তব সহচরী

পাক্কা ১০ বছর লাগল হৃদয়ের ক্ষত শুকাতে। ২০০৫ থেকে ২০১৫। অবশেষে আবারও সেই পবিত্র শব্দজোড়া উচ্চারণ করলেন জেনিফার অ্যানিস্টোন: ‘আই ডু’। গত বৃহস্পতিবার অনেক দিন ধরে ঝুলে থাকা শুভকাজটা সেরে ফেললেন। বিয়ে করেছেন জাস্টিন থেরক্সকে।
বিয়েটা হয়েছে গোপনে। খুব কাছের ৭০ জন অতিথিকে ডাকা হয়েছিল। অতিথি নির্বাচনে এতটাই বাছবিচার হয়েছে যে তাতে নাকি অ্যানিস্টোনের মা-ই নেমন্তন্ন পাননি! কাকপক্ষী তো দূরের কথা, হলিউডের দুঁদে সাংবাদিকটিও টের পাননি এই বিয়ের খবর। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর সবাই থ। এই বিয়েটাকে তাই শুধু গোপনই নয়, বলা হচ্ছে ‘অতি গোপনীয় বিয়ে’!
২০০৫ সালে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছিল অ্যানিস্টোনের। পিটকে ভালোবেসেছিলেন ভীষণ। ভালোবাসার চাদরে মুড়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তারপরও পিট নোঙর করলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলির হৃদয়ের বন্দরে। বিয়ে তো দূরে থাক, ভালোবাসা আর সম্পর্কের ওপরই আস্থা উঠে গিয়েছিল অ্যানিস্টোনের। ছয় বছর পর অবশেষে থেরক্সকে মন থেকে গ্রহণ করেন। ২০১২ সালের আগস্টে আংটি বদল। ঠিক তিন বছর পর হয়ে গেল বিয়েও। হলিউড লাইফ।

শুটিংয়ে রংহীন পপি

চলছে পপির সোনাবন্ধু ছবির কাজ। ছবির প্রথম ধাপের শুটিং শেষ হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে এর দ্বিতীয় ধাপের শুটিং। এই ছবির শুটিং নিয়েই এখন যত ব্যস্ততা এই অভিনেত্রীর। জানালেন, গতানুগতিক অ্যাকশন কিংবা প্রেমের ছবি তো অনেক হলো। এবার সেসব থেকে বেরোতে চান তিনি। সে জন্যই নাকি সোনাবন্ধু ছবিতে কাজ করা। এতে রোশনি নামের এক বিধবা নারীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। পপির চরিত্রটি নিয়ে ছবির পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, গ্রামের এক গায়েনের মেয়ে রোশনি। একটি ছেলেকে ভালোবাসে। কিন্তু কিছু জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে অন্য একজনের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। কয়েক দিনের মধ্যেই স্বামী মারা যায়। এরপর আর বিয়ে করে না রোশনি।
শুটিংয়ের শুরু থেকেই তাই বিধবার বেশে লাল চোখে শুটিং সেটে দেখা গেছে পপিকে। তিনি বললেন, ‘দর্শকেরা সব সময়ই আমাকে গ্ল্যামারাস চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত। এখন একটু ভিন্নভাবে দর্শকদের সামনে আসতে চাই। মনে রাখার মতো কিছু চরিত্র করতে চাই। এ জন্যই রোশনিকে বেছে নেওয়া।’

প্রথম আলোয় প্রকাশিত গল্প নিয়ে চলচ্চিত্র

প্রথম আলোয় প্রকাশিত গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ২০১২ সালে দৈনিকটির শনিবারের ক্রোড়পত্র ‘ছুটির দিনে’র অণুগল্প সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল গল্প দুটি। এর মধ্যে জুয়েল দেবের লেখা ‘চোর’ গল্পটি নিয়ে তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন শাহজাহান শামীম। আফিয়া আবিদার লেখা ওই সংকলনের তৃতীয় সেরা গল্প ‘যশোর ব-১১-০১৯’-এর চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন মোহাম্মদ সাইদুর রহমান। এই দুই তরুণ নির্মাতা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী। স্টাডি হিসেবে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি নির্মাণের জন্য এই গল্প দুটি নির্বাচন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক মতিন রহমান। তিনি বলেন, ‘ব্যবহারিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ১০ মিনিটের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হয়। ওই সংকলনের গল্প দুটি আমার খুব ভালো লেগেছিল। তাই ছাত্রদের পরামর্শ দিই তারা যেন এগুলোকেই চিত্রনাট্যে রূপ দেয়।’
গত ২৬ জুলাই শাহবাগের ফিল্ম আর্কাইভে ৩০ জন শিক্ষার্থীর নির্মিত সিনেমার মধ্য থেকে যশোর ব-১১-০১৯ চলচ্চিত্রটি দেখানো হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্যসচিব মরতুজা আহম্মদ, আর্কাইভের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রশিক্ষণ কোর্সের পরিচালক মসীহউদ্দিন সাকের, টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রযোজনা কোর্সের পরিচালক ম হামিদ এবং সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন।

দিল্লির মঞ্চে বাংলাদেশের নাঈম

ভারতীয় নৃত্য সংগঠন ‘গতি ডান্স ফোরাম’ আয়োজন করেছে তিন দিনের একটি নৃত্য–উৎসব। ৭ আগস্ট শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে আগামীকাল পর্যন্ত। ১০ সপ্তাহ ধরে ছয় নৃত্যশিল্পীকে নিয়ে একটি আবাসিক কর্মশালার পর তাঁদের নিয়েই এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে দিল্লিতে। এতে অংশ নেওয়া ছয় শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পী আবু নাঈম। আর তাঁর সঙ্গে অন্য পাঁচজনই ভারতের।
‘গতি সামার ডান্স রেসিডেন্সি’র চূড়ান্ত এ আয়োজনে নাঈম পরিবেশন করবেন একক নৃত্য ‘দ্য লং রোড’।
ঢাকার নৃত্য সংগঠন ‘সাধনা’ চার বছর ধরে দেশের নবীন নৃত্যশিল্পীদের ভারতে এক বছরব্যাপী সমসাময়িক নৃত্য প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য বৃত্তি দিয়ে আসছে। ২০১২ সালে আবু নাঈম প্রথম এই বৃত্তি পান। তা ছাড়া এই শিল্পী চ্যানেল আইয়ে অনুষ্ঠিত নাচবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সেরা নাচিয়ে’তেও অংশ নিয়েছিলেন।

ভালোবাসা কারে কয়

হিন্দি ছবির সবচেয়ে রোমান্টিক হিরোদের একজন তিনি। অথচ হালজমানার প্রেম-ভালোবাসার ধরন-ধারণ ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না সেই শাহরুখ খানই। ভারতের অন্তত দুটি প্রজন্মকে রুপালি পর্দায় ভালোবাসার দীক্ষা দেওয়া শাহরুখই এবার নতুন করে শিখতে চলেছেন ভালোবাসার নব-ধারাপাত।
ফেসবুক-টুইটারের এই জমানায় সম্পর্কের সংজ্ঞা নানা রকম। কোনোটা ‘কমপ্লিকেটেড’, কোনোটা ‘ওপেন’। এ তো গেল ভার্চুয়াল দুনিয়ার সম্পর্কের রকমভেদ। বাস্তবের দুনিয়াতেও এখন সম্পর্ক ‘ডেটিং’, ‘গোয়িং আউট’, ‘মেকিং আউট’, ‘হ্যাংগিং আউট’—নানা ধাপে পড়ে। শাহরুখ ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, এর মধ্যে কোন সম্পর্কটি আসল?
ছেলে আরিয়ানের বয়স এখন ১৮, মেয়ে সুহানাও ‘সুইট সিক্সটিন’-এ। বাবা শাহরুখকে তাই নতুন অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। তবে নতুন প্রজন্মের সম্পর্কের এই রকমারিতে শাহরুখ যেন বিরক্তই। টিওআই।

বিয়ে এবং প্রেম সম্পর্কে যা বললেন পপি



ঢাকা: গত দেড় দশকেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে দাপিয়ে কাজ করছেন সাদিকা পারভীন পপি। ভক্ত-দর্শকেরা তাকে চিত্রনায়িকা পপি নামেই চেনেন। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের কুলি চলচ্চিত্রের মধ্যে দিয়ে তার অভিষেক হয়। প্রথম ছবিতেই বাজিমাত করেন তিনি। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় পপি জানান, এখন পর্যন্ত মনের মানুষ খুঁজে পাননি। তিনি মনে করেন মনের মানুষ পাওয়ার বিষয়টি ভাগ্যের ব্যাপার। এবং আল্লাহ যার ভাগ্যে যাকে লিখে রেখেছেন, তারই ইচ্ছেয় তা হবে। তাই মনের মানুষের অপেক্ষায় রয়েছেন পপি। দেড়যুগ ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন পপি। এখনো তিনি বিয়ে করেননি। বিয়ে অবশ্যই করবেন এবং মনের মানুষ পেলেই করবেন বলেও জানান পপি।
বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পপি জানান, অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে তাকেও। এজন্য তাকে অভিনয় থেকে দূরে রেখেছেন। কিন্তু তাও তিনি অশ্লীল ছবিতে অভিনয় করেননি বা তার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেননি।
পপি বলেন, তারকারা সাধারণ মানুষের মতো জীবন যাপন করতে পারে না। সাধারণ মানুষের নজর এড়াতে বোরকা পড়ে তাকে অনেক সময় বাইরে যেতে হয়। সাধারণ মানুষ মনে করে চলচ্চিত্র তারকারা অনেক বিলাসী জীবন যাপন করে। এ ধারণার এ সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন পপি। পপি মনে করেন অনেক কষ্ট করে তারকা হতে হয়। তিনি নিজে ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করেন। ক্যামেরার সামনে যাওয়ার আগে ঘন্টা বা দুই ঘন্টা পরিশ্রম করে নিজেকে প্রস্তুত করতে হয়।
বিবিসি বাংলাকে তিনি আরো বলেন, ‘প্রথম দিকে বুঝিনি, বাছবিচার ছাড়াই ছবি করেছিকিন্তু সময়ের সাথে সাথে এখন অনেক পরিণত আমি, ছবি হাতে নেই একেবারে বেছে বেছে
তিনবার পেয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার। গত কয়েকবছর ধরে অবশ্য কমিয়ে দিয়েছেন চলচ্চিত্রে অভিনয়। তবে এখন তার হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ছবি।